তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার নিয়ম - তাহাজ্জুদ নামাজের সময় ২০২৩

 

প্রিয় পাঠক আপনারা কি তাহাজ্জত নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন তাহলে ঠিক জায়গায় এসেছেন। কারণ আজকে আপনাদের মাঝে তাহাজ্জত নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত এবং তাহাজ্জুদ নামাজের সময় সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবো।

তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার নিয়ম - তাহাজ্জুদ নামাজের সময় ২০২৩

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হবার আগেই আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওপর তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া আবশ্যক ছিল। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো তাঁর জীবন দশায় তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া থেকে বিরত থাকেনি। তাহলে চলুন তাহাজ্জুদ নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত জানি।

পোস্ট সূচিপত্রঃ তাহাজ্জুদ নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত - তাহাজ্জুদ নামাজের সময় ২০২৩

তাহাজ্জুদ নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত

তাহাজ্জুদ আরবি শব্দ এর আভিধানিক অর্থ হচ্ছে রাত জাগা। ইসলামে পরিভাষায় তাহাজ্জুদ শব্দটি নিদ্রা যাওয়া ও জাগ্রত হওয়া এই পরস্পর বিরোধী দুই অর্থে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। পবিত্র কুরআনের সূরা বনী ইসরাইলের 79 নং আয়াতের অর্থ এই যে রাতের কিছু অংশ কোরআন পাঠ সহ জাগ্রত থাকুন। অনেকেই প্রশ্ন করেন তাহাজ্জুদ কখন পড়তে হয়। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে তোমার প্রতিপালক তো জানেন তুমি কখনো রাত্রি প্রায় দুই ভাগ কখনো অর্ধেক আবার কখনো ৩ এর এক ভাগ জেগে থাকো। আল্লাহ দিন এবং রাতের সঠিক হিসাব রাখেন তিনি জানেন যে তোমরা এর সঠিক হিসাব রাখতে কখনোই পারবে না।

তাহাজ্জত নামাজ হলো সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ। ইসলামের সূচনার সুরের যুগে এটি মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও উম্মত সবার প্রতি ফরজ ছিল। মহানবী সাঃ এর মেরাজের পর তা নফল হয়ে যায়। ঈমাম বাগবী রা. বলেন এই আদেশ পালনার্থে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরামগণ অধিকাংশ রাত্রি তাহাজতের নামাজে ব্যয় করে থাকেন। পবিত্র হাদীস শরীফে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেন রমজানের পর উত্তম রোজা হল মহররম মাসের রোজা এবং ফরজ নামাজের পর উত্তম নামাজ হল রাতের নামাজ পড়ে নেওয়া। তাহাজ্জুদ ভিরু বান্দাদের অগ্রগতির স্বীকৃতি আল্লাহ পাক নিজেই দিয়েছেন যথা আল্লাহর রাব্বিল আলামিন পবিত্র কোরআনে এরশাদ করেন যে ব্যক্তি গভীর রাতে আল্লাহর উদ্দেশ্যে সিজদার মাধ্যমে অথবা দাঁড়িয়ে ইবাদত করে পরকালের ভয় নিজের ভিতরে পোষণ করে এবং পালনকর্তার রহমত প্রত্যাশা করে তাহলে অবশ্যই মৃত্যুর পরে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যাবে।

আরো পড়ুনঃ নামাজ শিক্ষার গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে জানুন

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তা'আলা সূরা ফুরকানে প্রিয় বান্দার জন্য ১৩ টি বিশেষ গুণাবলী এবং আমল বর্ণনা করেছেন। আর সেই ১৩টি বিশেষ গুণাবলীর মধ্যে একটি হলো তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করা। কেয়ামতের ভয়াবহ বিপর্যয় এবং কঠিন হিসাব নিকাশের দিনে কোন ব্যক্তি যদি তার আমলনামা ভারী করতে চাই তাহলে তাকে অবশ্যই নিয়মিত তাহাজ্জুদের নামাজ পড়তে হবে। যে ব্যাক্তি হাশরের ময়দানে সহজ হিসাব কামনা করে থাকে তার উচিত হবে আল্লাহর যেন তাকে রাত্রির অন্ধকারে এবং দাঁড়ানো অবস্থায় পেয়ে থাকে।

মহান আল্লাহ তায়ালা তাহাজত নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত অনেক বেশি দিয়েছে। মহান আল্লাহ তায়ালা তাহাজ্জুদ পড়া বান্দাদের জন্য জান্নাতে অসাধারণ বাসভূমি সজ্জিত করে রেখেছে। কোন এক হাদিসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন জান্নাতে এমন কিছু কক্ষ থাকবে যার ভেতরের অংশ বাহির থেকে এবং বাহিরের অংশ ভেতর থেকে দৃষ্টি গোচর হবে। মহান আল্লাহতালা ইজ্জত রোজ হাশরে সমগ্র সৃষ্টি কুলের উপস্থিতিতে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়কারী প্রিয় বান্দাদের মহান সম্মানের অধিষ্ঠিত করবেন। যখন আল্লাহর পূর্ববর্তী মানবম-লীতে একত্রিত করবেন তখন আল্লাহর পক্ষ থেকে এক আহ্বায়ককারী দাঁড়িয়ে আহ্ববান করবেন হে হাশরের মাঠে মানবম-লী আজ তোমরা জানতে পারবে যে আল্লাহ পাকের নিকট সর্বাধিক সম্মান এবং মর্যাদার অধিকারী কে? অধিকারী লোকজনকে দাঁড়াতে আহ্বান জানানো হবে। এবং এই আওয়াজ শুনে এ সকল লোক দাঁড়িয়ে পড়বে যাদের সংখ্যা হবে খুবই নগণ্য। আর এদের হিসাব ছাড়াই জান্নাতে প্রেরণ করা হবে।

তাহাজ্জুদ নামাজ মন্দ কাজের কাফফারা ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের মহান সুযোগ এবং পরিপন্থা। এজন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলেছেন, তোমরা নিয়মিত নামাজ পড়ো কেননা এটি তোমাদের পূর্ববর্তী সব নেক বান্দাহর অভ্যাস ছিল। প্রতিটি মুমিন ব্যক্তি চাই যেন আল্লাহ তার মনের সকল চাওয়া পাওয়া মিটিয়ে দেয় এবং তার ইবাদত বন্দেগী কবুল করেন ও ভুলগুলো ক্ষমা করে দেয়। কিন্তু এই সকল নেয়ামত আপনি তখনই পাবেন যখন আপনি তাহাজ্জত নামাজ পড়তে অভ্যস্ত ছিলেন। তাহলে আমরা তাহাজ্জুদ নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে জানলাম।

তাহাজ্জুদ নামাজের সময়

তাহাজ্জুদ নামাজের সময় মূলত রাতের মধ্যভাগে পড়া হয়ে থাকে। তাহাজ্জুদ নামাজ রাতের শেষ তৃতীয়াংশে পড়া সবচাইতে বেশি উত্তম। আমরা অনেকেই জানি যে তাহাজ্জুদের নামাজের মূল সময় শুরু হয় রাত ৩টা থেকে এবং ফজর আজানের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত। কেউ যদি ঘুম থেকে জাগার সম্ভাবনা না থাকে তাহলে এশার সালাতের পর দুই রাকাত সুন্নত এবং বেতেরের নামাজ হাতে রেখে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে বেতের নামাজ পড়া জায়েজ রয়েছে। কিন্তু আপনি যদি পরিপূর্ণ তাহাজ্জুদের মর্যাদা পেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে রাত তিনটার পর থেকে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়া আরম্ভ করতে হবে তাহলে পরিপূর্ণ মর্যাদা পাওয়া এবং আল্লাহকে কাছে পাওয়া সম্ভব।

তাহাজ্জুদ নামাজের আগে করণীয়

তাহাজ্জুদ নামাজের আগে অবশ্যই আপনাকে যথাযথ নিয়ম পালন করতে হবে। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার জন্য ঘুম থেকে উঠতেন তখন মিসওয়াক করতেন এবং আমাদেরও মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মত মেসওয়াক করতে হবে। এরপরে অজু করে তাজবীহ পড়তেন এরপরে নামাজ শুরু করতেন।

১. আল্লাহু আকবার দশবার

২. দশবার আলহামদুলিল্লাহ

৩. সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি ১০ বার

৪. সুবহানাল মালিকিল কুদ্দুস

৫. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ১০বার

৬. সর্বশেষ আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন দিক্বিদ্দুনিয়া ওয়া দিকি ইয়ামিল কিয়ামহা ১০ বার পাঠ করতেন এবং নামাজ শুরু করতেন।

আরো পড়ুনঃ তারাবির নামাজের হুকুম - তারাবির নামাজের ফজিলত ২০২৩

তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার নিয়ম

আমরা হয়তো অনেকেই জানি এবং অনেকেই জানিনা তাদের জন্য পরিপূর্ণ তাহাজ্জুদ নামাজ এর নিয়ম তুলে ধরা হলো। এবং তাহাজ্জুদ নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা ইতিপূর্বেই আমরা জেনেছি। তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার জন্য কোন নির্দিষ্ট সূরা বেঁধে দেওয়া নেই। তাই যে কোন সূরা দিয়ে এ নামাজ আদায় করা যাবে। আপনারা যদি বড় বড় সূরা মুখস্ত থাকে তাহলে সেই সকল বড় বড় সূরা দিয়ে নামাজ পড়া উত্তম। আমাদের প্রিয় নবী তিনিও তাহাজ্জুদের নামাজ বড় বড় সূরা দিয়ে পড়তেন আর এই নামাজের নিয়ম হলো দুই রাকাত করে আদায় করা।

আপনাকে প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহার সাথে অন্য যে কোন সূরা মিলিয়ে নামাজ আদায় করতে হবে। আর এভাবেই তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করতে হয়। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকল মুসলিম উম্মাহকে যথাযথভাবে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার তৌফিক দান করুন আমীন।

তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ত

نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ رَكَعَتِى التَّهَجُّدِ - اَللهُ اَكْبَر
বাংলা অর্থঃ দুই রাকাত তাহাজ্জুদের নিয়ত করছি। অতঃপর আল্লাহু আকবার বলে নিয়ত বেঁধে নামাজ পড়তে হবে।

তাহাজ্জুদ নামাজের রাকাত সংখ্যা

তারাবির নামাজ সর্বেোচ্চ ৮ রাকাত উত্তম। কিন্তু সর্বনিম্ন ২ রাকাত করে নামাজ পড়তে হয়। আমাদের প্রিয় নবী তাহাজ্জুদের নামাজ বেশিরভাগ সময় আট রাকাত পড়তেন এবং তারপরে বেতেরের তিন রাকাত পড়ে সর্বমোট ১১ রাকাত নামাজ আদায় করতেন। তাহাজ্জুদ নামাজ বেতেরসহ ১৩, ১১, ৯,৭ রাকাত পড়া যায়।

যদি কেউ এশার সালাত আদায়ের পরে বেতরের সালাত আদায় করে তাহলে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার পরে বেতের নামাজ পড়ার কোন দরকার নেই। এবং তখন দুই রাকাত থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৮ রাকাত তাহাজ্জুদ নামাজ পড়লেই হবে। আর এই জন্য তাহাজ্জুদ নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত অনেক বেশি।

তাহাজ্জুদ নামাজের ছানা

আমরা অনেকেই তাহাজ্জুদ নামাজের ছানা জানিনা তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট। ইসলামের সকল মুমিনদের অবশ্যই ছানা শিখে নেওয়া উত্তম। তাহলে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেওয়া যাক তাহাজ্জুদ নামাজের ছানা সমূহ

উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা লাকাল হামদু আনতা কাইয়িমুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরযি ওয়া মান ফিহীন্না ওয়ালাকাল হামদু আনতা মালিকুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরযি ওয়া মান ফীহিন্না ওয়া লাকাল হামদু আনতাল হাক্কু ওয়া ওয়াদুকা হাক্কুন ওয়া আযা-বুল ক্বাবরে হাক্কুন ওয়াল জান্নাতু হাক্কুন ওয়ান্না-রু হাক্কুন ওয়ান নাবিইয়ূনা হাক্কুন ওয়া মুহাম্মদুন হাক্কুন ওয়াল ওয়াস সা-আতু হাক্কুন আল্লা-হুম্মা লাকা আসলামতু ওয়া বিকা আমানতু ওয়া বিকা খা-ছামতু ওয়া ইলাইকা আনাবতু ওয়া বিকা খা-ছামতু ওয়া ইলাইকা হা-কামতু ফাগ ফিরলী মা ক্বাদ্দামতু ওয়া মা আখ খারতু ওয়া মা আশরার তু ওয়ামা আ লানতু ওয়া মা আনতা আলামু বিহি মিন্নি আনতাল মুকাদ্দিমু ও আনতাল মুওয়াখখিরু লা ইলাহা ইল্লা আনতা ওয়ালা ইলা হা গাইরুকা

আরো পড়ুনঃ নামাজের বিবরণ - পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের ঐতিহাসিক পটভূমি

বাংলা অর্থঃ হে আল্লাহ তোমার জন্য যাবতীয় প্রশংসা, তুমি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল এবং এসবের মধ্যে যা কিছু রয়েছে সবকিছুর ধারক। তোমার ওই জন্য সমস্ত প্রশংসা তুমি নভোমন্ডল ওভোমন্ডল এবং এসবের মধ্যে যা কিছু আছে সব কিছুর জ্যোতি। তোমার ওই জন্য সমস্ত প্রশংসা তুমি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল এবং এসবের মধ্যে যা কিছু আছে সব কিছুর বাদশাহ। তোমারি জন্য সকল প্রশংসা তুমি সত্য, তোমার ওয়াদা সত্য, তোমার সাক্ষাৎ লাভ সত্য, তোমার বাণী সত্য, কবর আজাব সত্য, জান্নাত সত্য, জাহান্নাম সত্য, নবীগণ সত্য, মুহাম্মদ সত্য, এবং কিয়ামত সত্য। হে আল্লাহ আমি তোমারও নিকট আত্মসমর্পণ করি তোমার ওই উপর ভরসা করি ও তোমার দিকেই প্রত্যাবর্তন করে। আমি তোমার জন্যই ঝগড়া করি এবং তোমার কাছেই ফায়সালা পেশ করি। অতএব তুমি আমার পূর্ব পর গোপন ও প্রকাশ্য সকল অপরাধ ক্ষমা করো। তুমি অগ্র ও পশ্চাত্যের মালিক। তুমি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই এবং তুমি ব্যতীত কোন মাবুদ নেই।

তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার উপকারিতা

আল্লাহ যেমন তাহাজ্জত নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত অনেক বেশি বাড়িয়ে দিয়েছে। ঠিক তেমনি তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার উপকারিতা ও রয়েছে। তাহলে চলুন তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার উপকারিতা গুলো এক নজরে দেখেনি-

১. তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার কারণে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা সম্ভব

২. আল্লাহ তার বান্দাদের জন্য ফেরেশতাদের কাছে গর্ববোধ করেন

৩. তা যদি নামাজ আদায়কারীর অবস্থান আল্লাহর কাছে নক্ষত্রের নেই

৪. তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়কারীর আত্মা নূরের মত আলোকিত হয়

৫. তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়কারীর দোয়া দ্রুত আল্লাহর কাছে কবুল হয়

৬. তাহাজ্জুদ আদায় করা ব্যক্তির দোয়া খুব তাড়াতাড়ি আল্লাহর কাছে কবুল হয় এবং গুনাহ মাফ হয়

৭. তাহাজ্জুদের নামাজ গুনাহের জন্য কাফফারা স্বরূপ

৮. তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় কারীর চেহারা সুন্দর এবং উজ্জ্বল হয়

৯. এ নামাজ পড়লে দৈহিক এবং আর্থিক উন্নতি ঘটে

১০. নামাজ পড়ার ফলে চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি হয়

১১. আয়ুকাল বৃদ্ধি পায়

১২. মানুষের অন্তরে ভালোবাসা সৃষ্টি করে

১৩. আয় রোজগার বৃদ্ধি পায়

১৪. তাহাজ্জত আদায়কারী উম্মাহর পিছনে ফেরেস্তারা জামাতে দাঁড়ায়

১৫. সর্বশেষ কিয়ামতের দিন সকলের বস্ত্র না থাকলেও তাহাজ্জত আদায়কারী ব্যক্তির শরীরে বস্ত্র থাকবে

অতএব আমরা অবশ্যই আল্লাহর অনুশাসন এবং ইসলামের শরিয়া মোতাবেক জীবন যাপন গড়ে তুলবো নবী রাসুলের দেখানো পথ অনুসরণ করব নবীর সকল সুন্নত মেনে চলবো আল্লাহর আনুগত্য প্রকাশ করব। এছাড়াও প্রতিনিয়ত তাহাজ্জুদ নামাজ পড়বো ইনশাল্লাহ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

নিউ বাংলা আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url